মাধ্যমিক বিদ্যালয় ,গ্রামের নামানুসারে বিদ্যালয়টি র নাম দেওয়া হয় 'পানিশাইল উচ্চ বিদ্যালয়'। ইটের দেয়াল ও টিনের ছাদ-বিশিষ্ট ক্ষুদ্র বিদ্যালয়টি অনেক প্রতিকূলতার মাঝে শুরু করে সুশিক্ষিত নাগরিক গড়ার সংগ্রাম ।
কালের বিবর্তনে বিদ্যালয়টির প্রায় অর্ধ-শত বছর পূর্ন হতে চলেছে ।কিন্তু আজও বিদ্যালয়টিতে অবকাঠামো-গত কোনো পরিবর্তন আসেনি ।ইটের দেয়ালে ধরেছে ফাঁটল,টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে।অবকাঠামোতে এসেছে শোচনীয় পরিবর্তন ।
বৃষ্টির সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো আছেই ।প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়গুলোতে মৃত্যুভয় হাতে নিয়ে ক্লাসরুমে ঢুকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।অনেক সময়ে বন্ধ রাখতে হচ্ছে বিদ্যালয়টি। ফলে পড়াশোনায় সৃষ্টি হচ্ছে বিঘ্নতা। নেই পানীয় জলের সুব্যবস্থা ।গ্রামটিতে সম্প্রতি বিদ্যুতায়ন হলেও বিদ্যালয়টিতে নেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সেট করার মতো পরিবেশ।রয়েছে আর্থিক দৈন্যতা।
পুরো দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন তথ্য প্রযুক্তির আওতায় তখন বিদ্যালয়টিতে ডিজিটাল ক্লাসরুম যেন রাতের সপ্নের মতোই মনে হচ্ছে ।ফলে তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ব থেকে পিছিয়ে পরছে শিক্ষার্থীরা।আবদ্ধ হয়ে পরছে ক্লাসরুম নামের ছোট্ট এই কক্ষের ভেতর। বিদ্যালয়টিতে নেই খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জামাদি । ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে তৈরি হচ্ছে পড়াশোনার প্রতি একঘেয়েমিতা । পরিবেশ ও অবকাঠামো-গত শোচনীয় অবস্থার জন্য এলাকাতে বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও পিতামাতা বাধ্য হচ্ছেন নিজ সন্তানকে দূরবর্তী বিদ্যালয়গুলোতে পাঠাতে ।
মাননীয় এমপি মহোদয়,আধুনিক বাগমারার রুপকার ,ইন্জিনিয়ার মো: এনামুল হক সাহেবের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাগমারা যখন উন্নয়নের মহা-সরকে,তখন বিদ্যালয়টির শোচনীয় পরিস্থিতিতে হতবাক এলাকার মানুষ ।কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে বিদ্যালয়টি যেন লুকিয়ে রেখেছে নিজেকে।
এলাকার মানুষের একটাই দাবী, বিদ্যালয়টিতে যেন শীঘ্রই অবকাঠামো-গত উন্নয়নের পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষাদানের পরিবেশ সৃষ্টির প্রতি কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দেন।যাতে করে বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে বিদ্যালয়টি।সপ্নের বাগমারাকে এগিয়ে নিতে পারে আরও একধাপ ।





Mamnue Rasid ভাইয়া পোস্টটি করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুন